প্রিয় পাঠক স্বাগত জানাচ্ছি আপনাকে,আমার এই পোস্টে জ্ঞানীদের জন্য সৃষ্টিকর্তার নিদর্শন গুলো কি কি রয়েছে.
এবং সৃষ্টিকর্তার নিদর্শন গুলো আকাশ মন্ডলী ও পৃথিবীতে এবং আমাদের নিজেদের মধ্যে বিদ্যমান রয়েছে,আর সৃষ্টিকর্তার এই নিদর্শন গুলো উপলব্ধি করার জন্য কিছু বিষয় ও সৃষ্টিকর্তার নিদর্শন এবং কোরআনের আয়াত উপস্থাপন করলাম.
সূচিপত্র
- জ্ঞানীদের জন্য সৃষ্টিকর্তার নিদর্শন কোরআনের আয়াত.
- মানুষ সৃষ্টির নিদর্শন
- ভাষা ও বর্ণের ভিন্নতার নিদর্শন
- রাত ও দিন সৃষ্টির কারণ
- ভূমিকে মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত করার নিদর্শন
- আকাশমন্ডল ও ভূমন্ডলের স্থিতির নিদর্শন
- সুসংবাদ রূপে বায়ু এবংবৃষ্টির নিদর্শন
- বিশ্বাসীদের জন্য সৃষ্টিকর্তার নিদর্শন
- বোঝাই নৌযানে আরোহন করার সৃষ্টিকর্তার নিদর্শন
- মনোনীত ব্যক্তিদের কে নিয়ে জ্ঞানীদের জন্য সৃষ্টিকর্তার নিদর্শন
- ধ্বংসাত্মক স্থান ও জনগোষ্ঠীর বিষয়ে জ্ঞানীদের জন্য সৃষ্টিকর্তার নিদর্শন.
- জ্ঞানীদের জন্য সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব নিদর্শন এর মাধ্যমে প্রমাণ
- স্রষ্টা আর সৃষ্টি এক নয়
- উপসংহার.
জ্ঞানীদের জন্য অবশ্যই নিদর্শন কোরআনের আয়াত

- নিশ্চয়ই আসমান ও জমিনের সৃষ্টিতে, রাত ও দিনের পরিবর্তনে
- মানুষের কল্যাণের জন্য সাগরে বিচরণশীল যেসব জাহাজ চলাচল করে
- আল্লাহ আকাশ হতে যে পানি বর্ষণ করেন এবং তা দ্বারা মৃত ভূমিকায় জীবিত করেন,
- আর তাতে যাবতীয় জীব জন্তু বিস্তার করেন, ও বায়ুর দিক পরিবর্তনে,
- আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী নিয়ন্ত্রণ মেঘ মালাতে জ্ঞানীদের জন্য অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে.0২নং সূরা বাকারা ১৬৪
মানুষ সৃষ্টির নিদর্শন

- তার নিদর্শন, তিনি তোমাদেরকে মাটি হতে সৃষ্টি করেছেন, এরপর তোমরা মানুষরূপে ছড়িয়ে পড়ছ (20)
- তার আরেকটি নিদর্শন হল,তোমাদের মধ্য হতে সঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন,যেন তাদের কাছে তোমরা শান্তি পেতে পারো
- এবং পারস্পরিক ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন,এতে চিন্তাশীলদের জন্য নিদর্শন আছে (21)
ভাষা ও বর্ণের ভিন্নতার নিদর্শন

- আরো তার নিদর্শন এর মধ্যে রয়েছে আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টি,তোমাদের ভাষা ও বর্ণের ভিন্নতা.নিশ্চয়ই এতে রয়েছে,যারা জ্ঞানী তাদের জন্য বহু নিদর্শনাবলী.22
ভূমিকে মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত করার নিদর্শন
- আর আরো নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে, তিনি দেখিয়ে থাকেন ভয় ও আশারূপে বিদ্যুৎ,আর তিনি আকাশ হতে বৃষ্টি বর্ষণ করেন,
- যা দিয়ে ভূমিকে মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত করেন; নিশ্চয়ই এতে যারা জ্ঞানী তাদের জন্য বহু নিদর্শন রয়েছে. 24
- আমরা যে ভূমি দেখতে পাই তা মৃত, আল্লাহ বৃষ্টি দিয়ে জীবিত করেন. জীবিত না করলে ভূমি থেকে গাছ প্রাণ নিয়ে বেড়ে উঠত না.যেমন মরুভূমিতে কোন গাছ হয় না.

আকাশমন্ডল ও ভূমন্ডলের স্থিতির নিদর্শন
1.আর তার নিদর্শনাবলীর আরেক নিদর্শন হচ্ছে,তারাই নির্দেশে আকাশমন্ডল ও ভূমন্ডলের স্থিতি,
2.আবার যখন তোমাদেরকে আহবান করা হবে তখন তোমরা জমিন থেকে উঠে আসবে.25
3.বিদ্রোহী:-উপরোক্ত বিষয়গুলো 30 নং সূরা রুম ২০ হতে ২৫নং আয়াতে সুন্দরভাবে উল্লেখ আছে.
রাত ও দিন সৃষ্টির কারণ

- আর তারই নির্দেশনাবলী হতে আরেক নিদর্শন হচ্ছে রাত-দিনে তোমাদের নিন্দা যাওয়া এবং তারাই প্রদত্ত রিজিক তালাশ করা; নিশ্চয়ই শ্রোতাদের জন্য এতে বহু নিদর্শন রয়েছে.23
- তাদের জন্য আর একটি নিদর্শন রাত,আমি তা হতে দিন বের করি, ফলে তারা তৎক্ষণাৎ অন্ধকারে পড়ে যায়.৩৬ নং সূরা ইয়াসিন ৩৭
সুসংবাদ রূপে বায়ু এবংবৃষ্টির নিদর্শন

- আর তার নিদর্শনাবলীর একটি হল, তিনি বায়ু পাঠান বৃষ্টির সুসংবাদ রূপে, অনুগ্রহের স্বাদরূপে
- এবং যেন তার নির্দেশে নৌযান চলাচল করে এবং যাতে তোমরা তার অনুগ্রহ খোঁজ করতে পার, যেন তোমরা কৃতজ্ঞ হও.(৪৬)
বিশ্বাসীদের জন্য সৃষ্টিকর্তার নিদর্শন
তারা কি দেখে না যে,আর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা করেন তার রিজিক প্রশস্ত ও সীমিত করে দেন, নিশ্চয়ই এতে মুমিনদের জন্য নিদর্শন আছে.৩০ নং সূরা রুম ৩৭
বোঝাই নৌযানে আরোহন করার সৃষ্টিকর্তার নিদর্শন

- সৃষ্টিকর্তার আরো একটি নিদর্শন হলো যে,পানির উপরে বোঝাই নৌযান,জাহাজ, লঞ্চ, স্টিমার নিয়ন্ত্রণ রাখা.
- সর্ব প্রথম নুহ আলাই সাল্লাম ও ৭০ বা ৮০ জন বিশ্বাসী লোক নিয়ে বোঝাই নৌযানে আহরণ করিয়েছিলেন.
- এবং সকল প্রাণীর মধ্যে জোড়া জোড়া উঠিয়ে ছিলেন সৃষ্টিকর্তার আদেশে,এ বিষয়ে কোরআনের একটি আয়াত রয়েছে.
আর তাদের জন্য নিদর্শন হল আমি তাদের বংশ কে বোঝাই নৌযানে আরোহন করিয়েছি.তাদের জন্য অনুরূপই বানিয়েছি, যেন তারা আরোহন করে.
আর আমি ইচ্ছা করলে ডুবাতে পারি, তখন না সহায়ক পাবে, না পাবে তারা মুক্তি
কিন্তু আমার অনুগ্রহ কিছুকাল ভোগ করবে.৩৬ নং সুরা ইয়াসিন ৪১ থেকে ৪৪
মনোনীত ব্যক্তিদের কে নিয়ে জ্ঞানীদের জন্য সৃষ্টিকর্তার নিদর্শন
সৃষ্টিকর্তা তার মনোনীত ব্যক্তিদের কে নিয়ে অনেক নিদর্শন দেখিয়েছেন.
এবং মনোনীত ব্যক্তিদের কে অনেক মোজেজা দিয়েছেন,এই মোজেজা গুলো তাদের জীবনীর মধ্যে উল্লেখ আছে.

- ইব্রাহিম আলাই সালাম কে আগুন থেকে রক্ষা করার নিদর্শন দেখিয়েছিলেন.
- ফেরাউন হাজার হাজার শিশু হত্যা করে ফেলেছেন, কিন্তু আল্লাহ মুসা আলাই সালাম কে সাগরে ভেসে যাওয়ার সিন্দুক থেকে উদ্ধার করে ফেরাউনের চোখের সামনে তার ঘরে বড় করেছেন.
- অতএব বুঝা যায় আল্লাহ যা চায়,তা রোধ করার ক্ষমতা পৃথিবীর কারো নেই
- মারিয়াম আলাই সালামকে স্বামী ছাড়া সন্তান হওয়ার নিদর্শন
- ঈসা আঃ কে আকাশে উঠিয়ে নেওয়ার নিদর্শন
- প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম কে মেরাজে নেওয়ার নিদর্শন.

ধ্বংসাত্মক স্থান ও জনগোষ্ঠীর বিষয়ে জ্ঞানীদের জন্য সৃষ্টিকর্তার নিদর্শন
এটাও কি পথ দেখায় নি যে,আমি পূর্বে কত জনপদ ধ্বংস করেছি,যাদের বাসস্থানে তারা চলে? নিশ্চয়ই এতেই নিদর্শন আছে,তবুও কি তারা শুনবে না? ৩২ নং সূরা সাজদাহ ২৬

- সর্বপ্রথম নুহ আলাই সাল্লাম এর সময় বিশ্বাসী লোক ছাড়া সকলকে মহাপ্লাবনে ধ্বংস করেছিলেন.
- অতঃপর নুহ আলাই সালাম এর বংশধর আদ জাতি ধ্বংস হয়েছিল এক প্রচন্ড ঝাঞ্জা বায়ুতে.তাদের ধ্বংসাত্মক স্থান গুলো এখনো বিদ্যমান.
- অতঃপর এক বিকট শব্দ দ্বারা সামুদ জাতিকে ধ্বংস করা হয়েছে.
- আবার নবী লুত আঃ এর সময় এই সামুদ জাতিকে ভূমিকে উল্টিয়ে পাথর নিক্ষেপ করে ধ্বংস করা হয়েছিল,বর্তমানে মৃত সাগর নামে পরিচিত.
- মাদায়েনবাশি ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রচন্ড ভূমিকম্পে,এখনো তাদের ধ্বংসাবেশ বিদ্যমান রয়েছে.
- মুসা আলাই সালাম এর সময়ে ফেরাউন ও তার দলবল সহ সকলকে সমুদ্রে ডুবিয়ে ধ্বংস করা হয়েছিল.
- নমরুদকে একটি মশার মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছিল
- কারুনকে,হামানকে তার সম্পদ ও প্রাসাদসহ মাটির নিচে তলিয়ে নেওয়া হয়েছিল সকলের সামনে.
- সাবাবাসিকে ধ্বংস করা হয়েছিল বন্যায় ও পাহাড় ধ্বসিয়ে.

10.জালুতকে হত্যা করা হয়েছিল একটি পাথর নিক্ষেপের মাধ্যমে.
11.কাবা ঘর ভাঙ্গার উদ্দেশ্যে আসা হাতিআরোহী বাহিনীকে আবাবিল পাখি পাথর নিক্ষেপ করে ধ্বংস করেছিলেন.
জ্ঞানীদের জন্য সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব নিদর্শন এর মাধ্যমে প্রমাণ
প্রমাণ নাম্বার ০১

মানুষের মস্তিষ্কের মধ্যে যে সেফ বা আকৃতি রয়েছে, ঠিক তেমনি রয়েছে ভ্রুনের আকৃতি,একই রকম মিল পাওয়া যায়.আবার কিডনির আকৃতি,পায়ের ছাপের আকৃতি ইত্যাদি অনেক মিল পাওয়া যায়.
প্রমাণ নাম্বার ০২

আপনারা কানের আকৃতির দিকে লক্ষ্য করুন,ভ্রুনের আকৃতির মতন একই রকম মিল পাওয়া যায়.এই ধরনের বিষয়গুলো জ্ঞানীদের জন্য সৃষ্টিকর্তার এক বিশেষ নিদর্শন.
প্রমাণ নাম্বার ০৩

আপনারা মাথার উপরে চুলের আকৃতির দিকে লক্ষ্য করুন, চুলের শেপ ডান দিক থেকে বাম দিকে বাঁকানো,আমাদের নিজেদের মধ্যে এই ধরনের নিদর্শনের মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার কুরআনের এই আয়াতটি (৪১ নং সূরা হা-মিম সাজদাহ ৫৩) প্রমাণিত হয়.
প্রমাণ নাম্বার ০৪

- আপনারা আঙ্গুলের ছাপের আকৃতির দিকে লক্ষ্য করুন,আঙ্গুলের ছাপের করগুলো ডান দিক থেকে বাম দিকে ট্রায়াঙ্গেল.
- ১৮৮০ সালে আঙ্গুলের ছাপ আবিষ্কার শুরু করে 1892 সালে দুইজন বিজ্ঞানী হেমচন্দ্র বসু এবং আজিজুল হক আবিষ্কার করেন.
- যে পৃথিবীতে এমন কোন ব্যক্তি নেই যে,আঙ্গুলের ছাপ একজনের সাথে আরেকজনের একই রকম মিল পাওয়া যাবে.
- আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে কোরআনের একটা আয়াত রয়েছে,সেই বিষয়টি আমি ধর্মগ্রন্থ বিভাগে কোরআন যে আল্লাহর বাণী প্রমাণ করেছি.
প্রমাণ নাম্বার ০৫
চাঁদপুরে তিন নদীর মোহনার ঘূর্ণিপাকে দিকে লক্ষ্য করুন,ডান দিক থেকে বাম দিকে ঘূর্ণিপাক হচ্ছে,
প্রমাণ নাম্বার ০৬
অচিরেই আমরা তাদেরকে আমাদের নিদর্শনাবলী দেখাব, বিশ্ব জগতের প্রান্তসমূহে এবং তাদের নিজেদের মধ্যে;
যাতে তাদের কাছে সুস্পষ্ট হয়ে উঠে যে, অবশ্যই এটা (কুরআন) সত্য। এটা কি আপনার রবের সম্পর্কে যথেষ্ট নয় যে, তিনি সব কিছুর উপর সাক্ষী?(৪১ নং সূরা হা-মিম সাজদাহ ৫৩)

- তাছাড়া শামুকের আকৃতির মধ্যে লক্ষ্য করুন, একই মিল পাওয়া যায়.
- এই নিদর্শন গুলো উপলব্ধি করার মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়.
প্রমাণ নাম্বার ০৭
মহাবিশ্বের দিকে তাকালে দেখা যায় যে সৌরজগতে অসংখ্য Galaxy, গ্যালাক্সি,অসংখ্য মিল্কওয়ে.গ্রহ নক্ষত্র মন্ডলীর আকার বা আকৃতি একই.ডান দিক থেকে বামদিকে আবর্তিত হচ্ছে.

প্রমাণ নাম্বার ০৮
- মুসলিমদের হজ করার দিকে লক্ষ্য করুন,এই কাবাঘরটি হযরত ইব্রাহিম আলাই সাল্লাম এবং তার সন্তান ইসমাইল আলাই সালাম আল্লাহর নির্দেশে তৈরি করেছিলেন.
- এবং প্রধান ফেরেশতা জিবরাঈল (আ:) এসে পৃথিবীর মধ্যবিন্দু নির্ণয় করে দিয়েছিলেন.
- অতঃপর আল্লাহতাআলা ইব্রাহীম আলাই সালামকে হজ করার নির্দেশ করলেন. এবং পাহাড়ে উঠে পৃথিবীর সকল মানুষকে হজ করার দাওয়াত দিতে বলেছেন.
- আপনার লক্ষ্য করুন,এবং ভিডিওটা দেখেন এবং হাজীরা যখন হজ করে তখন তারা ও কাবার চত্তরে ডান দিক থেকে বাম দিকে ঘুরতেছে. এবং আল্লাহর সাথে কোন অংশীদার নেই সাক্ষ্য দিতেছে.
স্রষ্টা আর সৃষ্টি এক নয়
- স্রষ্টা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন অনেক সুন্দরতম গঠনে,সৃষ্টি জগতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হল মানুষ.
- আকাশ মন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আমরা দেখতে পাই,সবকিছু আল্লাহতালার সৃষ্টি. এবং অনেক কিছু আমরা দেখতে পাই না তাও আল্লাহ তা’আলার সৃষ্টি. স্রষ্টা আর সৃষ্টি কি সমান?
সৃষ্টিকর্তার প্রশ্ন মানুষকে
1.
- অন্ধ আর চক্ষুষ্মান কি সমান?
- আলো আর অন্ধকার কি সমান?
- মৃত আর জীবিত কি সমান?
- রুদ্র আর ছায়া কি সমান?
- সোজা পথ আর বাঁকা পথ কি সমান?
- ভালো আর মন্দ কি সমান?
- যে সৃষ্টি করে,আর যে সৃষ্টি করেনা.তা কি সমান?
- আল্লাহ কি শ্রেষ্ঠ,না যারা শরিক করে তারা শ্রেষ্ঠ?
উপসংহার
পরিশেষে বলতে পারি যে,উপরোক্ত বিষয় ও সৃষ্টিকর্তার নিদর্শন গুলো জ্ঞানী ব্যক্তিরা একটু উপলব্ধি করলে তারা সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব অন্তরে জাগ্রত হইবে.

