প্রিয় পাঠক স্বাগত জানাচ্ছি আপনাকে,আমার এই পোস্টে আমি দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান নিদর্শন গুলো কি কি? আর এই নিদর্শনের কার্যক্রম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমি সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব প্রমাণ করব.এবং এই অঙ্গ গুলোর কার্যক্রম প্রক্রিয়া চলতেছে,কিন্তু আমরা দেখি না,সেই সম্পর্কে কিছু উল্লেখ করব.
সূচিপত্র
01.চোখে দেখি না,কিন্তু আছে,এমন দৃশ্যমান নিদর্শন
02.চোখে দেখা যায় না,অনেক অদৃশ্যমান জাতি আছে,বসবাস করে
03.আমি একজন মানুষ,কিন্তু আমার মালিক আমি নয়
04.কান,চক্ষু ও ত্বক আমার বিরুদ্ধে সাক্ষী প্রদান
05.এই অঙ্গগুলোর কার্যক্রম প্রক্রিয়ার নিদর্শন
06.আমি মানুষ,যা আমার আছে,যা প্রয়োজন,কিছুই আমার নয়
07.সৃষ্টিকর্তা কেন নিদর্শন প্রেরণ হতে বিরত ছিল,যেমন
08.আমাদের জীবনের সাথে জড়িত নিদর্শন
09.উপসংহার.
চোখে দেখি না,কিন্তু আছে,এমন দৃশ্যমান নিদর্শন.
যারা বলে স্রষ্টা নাই তাদের উদ্দেশ্যে বলতেছি.দেখা যায় না,কিন্তু আছে যেমন
নিজেদের মধ্যে নিদর্শন

- মানুষের প্রাণ বা আত্মা,বায়ু,গাছের প্রাণ,শরীরের ভিতরে বাহিরের ব্যথা,মাথাব্যথা,দুঃখ,মনের আবেগ-বিবেক,রোগ যেমন (COVID-19),ইত্যাদি.
- উপরের বিষয় গুলো সম্পূর্ণ অদৃশ্যমান সম্পর্কিত সৃষ্টিকর্তার নিদর্শন. এইছাড়া আরো অনেক কিছু আছে,যাহা আমরা দেখতে পাই না.কিন্তু আছে.
- আমাদের চোখের উপরে কপাল রয়েছে দৃশ্যমান,আমাদের পিট,পেটের ভিতরে বিভিন্ন অঙ্গ-পতঙ্গ আমরা মাধ্যম ছাড়া দেখতে পাই না.কিন্তু আছে.ইত্যাদি.
মহাকাশে দৃশ্যমান নিদর্শন

- মহা আকাশে ৭ আসমান,অসংখ্য গ্যালাক্সি,অসংখ্য মিল্কওয়ে.গ্রহ,নক্ষত্রমন্ডলী রয়েছে, যা আমরা দেখতে পাই না.কিন্তু সেটা আছে.
- ব্যাটেল জুইস (Betelgeuse versus) নামক একটি তারা আছে,যা সূর্য থেকে ৩৩ কোটি গুন বড়.আমরা কি দেখতে পাই?
পৃথিবীতে

- নিজ বাসস্থান থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ কি আমরা দেখতে পাই? অর্থাৎ এটা আমাদের দৃষ্টির বাহিরে.
- সমুদ্র-সাগর,পাহাড়-পর্বত ঐতিহাসিক স্থান রয়েছে,যা আমরা ওই স্থানে যাওয়া ছাড়া আমরা দেখতে পাই না.
- পানির নিচে কত প্রাণ বসবাস করে,বায়ুতে কত প্রাণ বসবাস করে,আমরা দেখতে পাই না.এগুলো আমাদের দৃষ্টির বাইরে.তাই বলে কি এইগুলো নাই? কিন্তু আছে.
নিঃসন্দেহে সৃষ্টিকর্তা আছেন
- তাহলে বুঝতে হবে পৃথিবীতে আরো অনেক কিছু আছে,কিন্তু আমরা দেখতে পাই না.নিঃসন্দেহে সৃষ্টিকর্তাকে আমরা দেখি না,কিন্তু সৃষ্টিকর্তা আছেন.সৃষ্টিকর্তা সর্বশক্তিমান.
- আমাদের সৃষ্টিকর্তা কোথায় আছেন এবং কেন দেখতে পাই না এই বিষয়টি আল্লাহ অস্তিত্ব প্রমাণ পোস্টে লেখা আছে.
- তাছাড়া বিজ্ঞানের মতে আমরা অনেক কিছু দেখি না কিন্তু সেটা আছে,আমরা বিশ্বাস করি.আমরা মাত্র ৪-৫পার্সেন্ট দেখতে পারি,আর 95-96% আমরা দেখি না.নিঃসন্দেহে সৃষ্টিকর্তা আছেন.
- সুতরাং সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব,পরিচয় প্রমাণের জন্য আমি এই দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান নিদর্শন সমূহ এবং বিষয়গুলো উপস্থাপন করেছি.
চোখে দেখা যায় না,অনেক অদৃশ্যমান জাতি আছে,বসবাস করে

ফেরেশতা
- ফেরেশতারা আল্লাহর আদেশ অমান্য করে না,আল্লাহর আদেশ মতো চলে.
- মানুষের সামনে পিছনে প্রহরীর কাজ করে,মানুষের ভালো-মন্দ লিপিবদ্ধ করে.
- আল্লাহর আদেশে রূহ বা আত্মা নিয়ে আসে,আবার নিয়ে যায়.
- কিন্তু মৃত্যুর দিন ফেরেশতাকে আমরা দেখব,অন্যরা দেখবে না.
যেই দিন ওরা ফেরেশতাদের দেখবে,সেই দিন অপরাধীদের জন্য সুসংবাদ থাকবে না,এবং ওরা বলবে,রক্ষা করো,রক্ষা করো.২৫ নং সূরা ফুরকান ২২
জ্বীন জাতি
- জ্বীন জাতিকে আমরা চোখে দেখি না,তারা বংশবৃদ্ধি হচ্ছে,এবং পৃথিবীতে বসবাস করে,আল্লাহ তাআলা তাদেরকে আগুন থেকে সৃষ্টি করেছেন.
- আল্লাহ মানুষ ও জীন সৃষ্টি করেছেন,শুধুমাত্র আল্লাহর ইবাদত করার জন্য.আমাদের মত তাদের হিসাব দিতে হবে.
- আর এর পূর্বে অতি উত্তপ্ত বায়ুর অগ্নি হতে জিনকে সৃষ্টি করেছি.১৫ নং সূরা হিজর ২৭
- এই আয়াতে বুঝা যায় যে,মানুষের পূর্বে জিন জাতি এই পৃথিবীতে বসবাস করত.
শয়তান
শয়তান হলো জ্বীনদের একজন,সে আল্লাহর আদেশ অমান্য করেছিল,ফলে আল্লাহ তাকে অভিশপ্ত করেছেন এবং জাহান্নামী করেছেন.শয়তান আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায় নাই বরং সে প্রতিজ্ঞা করেছিল যে,সে আদম সন্তানদের অন্তরে,ডানে, বামে,সামনে,পিছনে ঢুকে তার সঙ্গী করবে এবং অপরাধী ও জাহান্নামি করবে.
আমি একজন মানুষ,কিন্তু আমার মালিক আমি নয়
শরীরের অঙ্গগুলোর মালিক আমি নয়
01.আমি একজন মানুষ,আমার শরীরে যে অঙ্গগুলো আছে এগুলো কিছুই আমি তৈরি করি নাই,কেউ আমাকে তৈরি করে দিয়েছে.অতএব,নিঃসন্দেহে এগুলোর মালিক আমি নয়.
02.পরিশেষে যখন ওরা জাহান্নামের কাছে পৌছাবে ,তখন ওদের কান, চক্ষু ও ত্বক ওদের কৃতকর্ম সম্বন্ধে সাক্ষ্য দেবে. (কোরআন সূরা নং 41 আয়াত নং 20)
কান,চক্ষু ও ত্বক আমার বিরুদ্ধে সাক্ষী প্রদান

- এতে ওরা ওদের ত্বককে বলবে, তোমরা আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিচ্ছ কেন?
- ত্বক বলবে, আল্লাহ যিনি সব কিছুকে বাকশক্তি দিয়েছেন,তিনি আমাদেরও কথা বলা শক্তি দিয়েছেন.
- তিনি তোমাদের প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন,তারই নিকট তোমরা ফিরবে.(কোরআন সূরা নং 41 আয়াত নং 21)
- যদি এই দৃশ্যমান অঙ্গগুলোর মালিক আমি হইতাম, তাহলে হাশরের মাঠে কিভাবে এই অঙ্গগুলো আল্লাহর আদেশে আমার অপরাধ সাক্ষী দিবে.
- যিনি মুখ দিয়ে কথা বলতে দিতে পারেন,নিঃসন্দেহে তিনি অন্য অঙ্গ দিয়ে কথা বলতে দিতে পারেন.
- আজ আমি তাদের মুখ বন্ধ করে দিব,এদের হাত আমার সাথে কথা বলবে,এদের পা এদের কৃতকর্মের সাক্ষ্য দিবে .৩৬ নং সূরা ইয়াসিন ৬৫
- সৃষ্টিকর্তার এই দৃশ্যমান নিদর্শন গুলো জ্ঞানীদের ভাবা উচিত. এতে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব প্রমাণিত হবে.
এই অঙ্গগুলোর কার্যক্রম প্রক্রিয়ার নিদর্শন

01.আমাদের দেহবৃদ্ধি, চুল বড় হয়, নখ বড়,খাদ্য হজম হয়, অক্সিজেন গ্রহণ, কার্বন-ডাই-অক্সাইড ত্যাগ ,বর্জ্য নিষ্কাশন কিছুই তো আমার আদেশে হয় না.
02.নিঃসন্দেহে আমি এগুলোর মালিক নহে.জ্ঞানীরা একটু উপলব্ধি করলেই স্রষ্টার অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়.
03.নিঃসন্দেহে যিনি এই অঙ্গগুলো তৈরি করেছে এবং কার্যক্রম প্রক্রিয়া ও তিনি সৃষ্টি করেছেন.তিনি মহাশক্তিশালী.তাছাড়া জীবন ও মৃত্যু আমার হাতে নয়,যিনি আমার মালিক তার কাছেই ফিরে যাব.
আমি মানুষ,যা আমার আছে,যা প্রয়োজন,কিছুই আমার নয়
মানুষের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন অক্সিজেন,আলো-বাতাস,পানি, খাদ্য ও বাসস্থান ইত্যাদি.কিন্তু এসব কিছুই আমার নয়,তাই সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব প্রমাণের জন্য সামান্য কিছু নিদর্শন উপস্থাপন করব.
অক্সিজেন

হাসপাতালে গিয়ে দেখেন একদিনের অক্সিজেনের দাম কত? আর আমরা সারা জীবন অক্সিজেন ভোগ করি, কিন্তু কেউ মূল্য দেয় নাই, তাহলে অক্সিজেন তো আল্লাহর দেওয়া,আমার নয়.
আলো বাতাস
বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকলে, সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়.কিন্তু আল্লাহর দেওয়া নক্ষত্র থেকে আমরা সারাদিন আলো পাই,মানুষ বেঁচে থাকার জন্য আলো বাতাস প্রয়োজন, তাও আল্লাহ ফ্রি ভাবে দিয়েছেন,সুতরাং আলো-বাতাস ও আল্লাহর.আমার নয়.
পানি
সারাদিন আমরা কত পানি ব্যবহার করি,আমরা তো পানি তৈরি করতে পারি না.একদিন বাসায় পানি না থাকলে কত কষ্ট,কিন্তু আল্লাহ বৃষ্টি দিয়ে, সমুদ্রের, সাগরে, নদ- নদীতে,মাটির গভীরে কত ফ্রি ভাবে পানি দিয়েছেন.

- যদি আমরা পানি কিনে ব্যবহার করতাম,কত মূল্য দিতে হইত? আমি তো পানি তৈরি করতে পারি না.তাহলে এটাও তো আল্লাহর দান.
- এটা নায়াগ্রা জলপ্রপাত,এই পানি তো আমি তৈরি করতে পারিনা.এটা ক্যানাডায় অবস্থিত
খাদ্য
আল্লাহতায়ালা বৃষ্টি দিয়ে মৃত ভূমিকে জীবিত করে ফসল উৎপাদন করে মানুষকে খাওয়ায়,যদি বৃষ্টির না হত ফসল উৎপাদন হতো না,এবং ফল-ফলাদির গাছ হতো না.
তাহলে সেটা ও আল্লাহর.কারণ মাটি থেকে ফসল উৎপাদন তো আমি করতে পারি না.

বাসস্থান
- আল্লাহতাআলা পৃথিবীকে বিছানা স্বরূপ করেন এবং পাহাড়-পর্বত গুলোকে কিলকের মত স্থাপন করেন,যাতে পৃথিবী ঢলে না পড়ে,এবং পাহাড় না থাকলে পৃথিবী স্থির থাকতো না
- এবং পৃথিবীর জিনিসপত্র ব্যবহার করে মানুষ বাসস্থান তৈরি করে,এবং বসবাস করে.তাহলে সেটা ও আমার নয়,সবকিছু আল্লাহ তাআলার.
- সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, আমি-আপনি মানুষ,আমার-আপনার কি আছে? সবই তো আল্লাহর.আমার তো কিছুই নাই.যিনি এগুলা সৃষ্টি করেছেন তিনিই সৃষ্টি কর্তা.এইভাবে সৃষ্টিকর্তার নিদর্শন এর মাধ্যমে তার অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়.

সৃষ্টিকর্তা কেন নিদর্শন প্রেরণ হতে বিরত ছিল,যেমন
আর বিষয়টি কেবল আমাকে নিদর্শন পাঠানো হতে বিরত রেখেছিল যে,পরবর্তী লোকেরা সে নিদর্শন সমূহ কে প্রত্যাখ্যান করেছিল
সামুদকে শিক্ষাপদ উষ্টি প্রদান করেছি, কিন্তু তারা তার প্রতি জুলুম করল.ভীতির জন্যই নিদর্শন পাঠাই.১৭ নং সূরা বনি ইসরাইল ৫৯
পাথরের পাহাড় থেকে নিদর্শন চেয়েছিল
উপরোক্ত আয়াতে সৃষ্টিকর্তা বুঝিয়েছেন যে,যখন সামুদ জাতি নবী সালেহ আলাই সাল্লাম এর কাছে পাথরের পাহাড়ের ভিতর থেকে দশ মাসের একটি গর্ববতী উষ্টি বাইর হওয়ার নিদর্শন চেয়েছিল.
পাথরের ভিতর থেকে উষ্টি(উট) বের হল

- তখন সালেহ আলাই সাল্লাম আল্লাহর কাছে আবেদন জানালে আল্লাহ শিক্ষা প্রদানের জন্য দশ মাসের গর্ববতী একটি উষ্টি প্রদান করেছিল.কিন্তু তারা তার প্রতি জুলুম করেছিল এবং উষ্টি কে হত্যা করেছিল.
- সৃষ্টিকর্তা মানুষকে ভয়-ভীতির জন্য নিদর্শন দিয়েছিল, কিন্তু মানুষ জুলুম ও প্রত্যাখ্যান করেছিল,এইজন্য সৃষ্টিকর্তা নিদর্শন থেকে বিরত ছিল এটাই বুঝিয়েছেন.
- বিদ্রোহী:-এই বিষয়টি বিস্তারিত নবী রাসূল বিভাগে উল্লেখ করব,কেন উটকে হত্যা করল এবং হত্যা করার পর কি ঘটলো ইত্যাদি.
আমাদের জীবনের সাথে জড়িত নিদর্শন
- এই পৃথিবীতে অনেক কিছু রয়েছে অদৃশ্যমান,(অর্থাৎ আমরা চোখে দেখি না).উপভোগ করি এবং অনুভব করি এবং বিশ্বাস করি.
- অদৃশ্যগুলি আমরা দেখি না কারণ আমাদের চোখের মধ্যে আবরণ বা পর্দা রয়েছে.
- আবার অনেক কিছু দৃশ্যমান,(অর্থাৎআমরা চোখে দেখি),উপভোগ করি,দুইটাই আমাদের জীবনের সাথে জড়িত.
কারা সাবধানী এবং সফলকাম

- সাবধানী তারাই,যারা অদৃশ্য বিশ্বাস করে
- এবং যথাযথ ভাবে নামাজ পড়ে
- তাদেরকে দেওয়া রিজিক থেকে ব্যয় করে
- মোহাম্মদ সাঃ এর প্রতি অবতীর্ণ কিতাবের প্রতি বিশ্বাস রাখে
- এবং পূর্বে যে সকল কিতাব অবতীর্ণ করা হয়েছে তাতেও বিশ্বাস করে
- এবং পরকালকে নিশ্চিতভাবে বিশ্বাস করে
- সৃষ্টিকর্তা বলেছেন,তারা সরল পথে রয়েছে এবং তারা পূর্ণ সফলকাম.
- এই বিষয়গুলো মহাগ্রন্থ আল-কোরআনের ০২নং সূরা বাকারা আয়াত ০৩ থেকে ০৫ নম্বর আয়াতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে.

উপসংহার:-
পরিশেষে আমরা বলতে পারি যে,এই পৃথিবীতে অদৃশ্যমান যা কিছু আছে আমরা উপভোগ করি,অনুভব করি এবং 100% বিশ্বাস করি.ঠিক তেমনি সৃষ্টিকর্তাকে আমরা দেখি না,এইজন্য কারণ আমরা দুর্বল সৃষ্টি.আমাদের চোখের মধ্যে ওই ধরনের শক্তি বা power নেই,সৃষ্টিকর্তা মহাশক্তিশালী. নিঃসন্দেহে সৃষ্টিকর্তা আছেন.
এই বিষয়ে আরো জানতে হলে আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমাণ পোস্টে বিস্তারিত লেখা আছে.

