প্রিয় পাঠক স্বাগত জানাচ্ছি আপনাকে,আজকে আমার এই পোস্টে আমি আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টি এবং পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ সকল কিছু সৃষ্টির সম্পর্কে কিছু বিষয় কোরআনের আলোকে উপস্থাপন করব.
সূচিপত্র
- আকাশ ও পৃথিবী কেন সৃষ্টি করলেন
- পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ সকল কিছু কিভাবে সৃষ্টি
- আকাশ ও পৃথিবী কত দিনের সৃষ্টি করলেন
- পৃথিবী কত দিনে সৃষ্টি করলেন
- পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ সকল জিনিস কত দিনে সৃষ্টি
- সৃষ্টিকর্তা এই পৃথিবী ক্রীড়াচ্ছলে এবং খেলার জন্য সৃষ্টি করেনি
- জ্বীন ও শয়তান আকাশের সংবাদ জানা সম্পর্কে
- পাহাড় সৃষ্টির কারণ
- রাত এবং দিন কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন
- নদ-নদী এবং সমুদ্র সৃষ্টি সম্পর্কে
- কিভাবে খাদ্য উৎপাদন করেন
- কেয়ামতের পর পুনরায় সৃষ্টির কারণ
- বইয়ের পাতার বাজের মতই আকাশ মণ্ডলীর বাজ
- উপসংহার.
আকাশ ও পৃথিবী কেন সৃষ্টি করলেন

- আর তিনি আসমান ও জমিনকে সৃষ্টি করেছেন ৬ দিনে,আর তখন তার আরশ ছিল পানির উপর,তোমাদের মধ্যে কে উত্তম আচরণকারী (কর্মে উত্তম) তা পরীক্ষা করার জন্য ১১ নং সূরা হুদ ৭
- তোমরা কি,দেখনা,আল্লাহ সবকিছুকে তোমাদের মঙ্গলে নিয়োগ করেছেন
- যা কিছু আছে জমিনে এবং তিনি পূর্ণ করে দিলেন তোমাদের প্রতি তার প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য অনুগ্রহ:
- মানুষের মাঝে কতক এমন আছে যারা আল্লাহ সম্বন্ধে বিতর্ক করে না জেনে,না পথ পেয়ে,না স্পষ্ট গ্রন্থ পেয়ে.৩১ নং সূরা লোকমান ২
- তিনি আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন আমাদেরকে পরীক্ষা করার জন্য.
পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ সকল কিছু সৃষ্টি এবং কারণ
তিনি জমিনকে বিস্তৃত করলেন: অতঃপর তাতে পাহাড় ও নদী স্থাপন করলেন,১৩ নং রা’আদ ৩
আকাশ ও পৃথিবী কত দিনের সৃষ্টি করলেন
1.আল্লাহ সৃষ্টি করেছে আকাশ-পৃথিবী ও মধ্যবর্তী সব কিছুকে ৬ দিনে,আর এতে তিনি ক্লান্তি স্পর্শ করেনি.৫০ নং সূরা ক্বা -ফ ৩৮
2.তিনি আকাশমণ্ডলী ও জমিনে তার মধ্যবর্তী সব কিছু ৬ দিনে সৃষ্টি করলেন, তারপর আরসে অধিষ্ঠিত হন.তিনি পরম করুনাময়.

পৃথিবী কত দিনে সৃষ্টি করলেন
- আপনি বলে দিন,যিনি ২ দিনে পৃথিবী সৃষ্টি করলেন ,তাকে কি অস্বীকার করবে? এবং তোমরা কি তার জন্য সমকক্ষ দাঁড় করাবেই ? তিনি সারা জাহানের রব.৪১ নংসুরা হা -মি–ম সাজ্দাহা 9
- আল্লাহতাআলা ২ দিনে পৃথিবী সৃষ্টি করলেন,আল্লাহ সকল ক্ষমতার মালিক,তিনি সারা জাহানের রব.
- আর আমি পৃথিবীকে বিস্তৃত করলাম এবং তাতে পর্বতমালা স্থাপন করলাম, চোখ জুড়ানো প্রত্যেকটি উদ্ভিদ উঠালাম.৫০ নং সূরা ক্বা-ফ ৭
পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ সকল জিনিস কত দিনে সৃষ্টি

- আল্লাহ পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ সকল জিনিস ও সকল প্রাণীর জন্য ৪ দিনে খাদ্যের ব্যবস্থা করলেন.
- আর পৃথিবীতে পাহাড়-পর্বত স্থাপন করলেন, এবং পৃথিবীতে বরকত দিলেন,
- পরে তিনি ধুঁয়াময় আকাশের প্রতি মনোনিবেশ করলেন,এরপর তাকে ও ওই জমিনকে বললেন,তোমরা উভয়ে ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় প্রস্তুত হও, তারা উভয় বলল,আমরা প্রস্তুত আছি. 41সুরা হা -মি–ম সাজ্দাহা11
- আপনি কি দেখেননি যে,আল্লাহ বর্ষণ করেন আকাশ হতে পানি,অতঃপর তা হতে বিভিন্ন রং এর ফল উদ্গত করে,
- এইভাবে পর্বতমালা ও রয়েছে,যার বিভিন্ন অংশের সাদা, লাল ও কালো গিরিপথ আছে.
- আর এভাবে মানবজাতি,প্রাণীসমূহ এবং চতুষ্পদ জন্তুর মধ্যে বিভিন্ন রং রয়েছে.৩৫ না সুরাফা-ত্বির২৭-২৮
সৃষ্টিকর্তা এই পৃথিবী ক্রীড়াচ্ছলে এবং খেলার জন্য সৃষ্টি করেনি

1.আর আসমান,জমিন ও তদস্ত সবকিছু আমি ক্রিয়াচ্ছলেই সৃষ্টি করিনি.
2.আমি যদি খেলনা গ্রহণ করতে ইচ্ছা করতাম,তবে নিজের নিকট থেকেই করতাম,তা আমি কখনো করিনি.
3.বরং আমি সত্য দ্বারা মিথ্যার আঘাত হানি,ফলে মিথ্যা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়;
4.আর তোমরা যা বলছ তার জন্য দুর্ভোগ তোমাদের.২১ নং সূরা আম্বিয়া ১৬ থেকে ১৮
5.তাদের নিকট তাদের রবের পক্ষ থেকে যখনই নতুন উপদেশ আসে,তখনই তারা ক্রিয়াচ্ছলেই তা শ্রবণ করে.তারা থাকে অন্যমনস্ক.২১ নং সূরা আম্বিয়া ২-৩
প্রকৃত জীবন কি?
আর এই দুনিয়ায় জীবন তো ক্রিয়াকৌতুক ব্যতীত আর কিছুই নয়. নিশ্চয়ই প্রকৃত জীবন পরকালের জীবনীই; যদি তারা তা জানতে পারত. (তবে এই রূপ করত না) ২৯ নং সূরা আন-কাবুত ৬৪
জ্বীন ও শয়তান আকাশের সংবাদ জানা সম্পর্কে

- ইবনে কুতাইবা (র) বলেন,হযরত মুহাম্মদ সাঃএর আগমনের পূর্বে জিন ও শয়তানরা চুরি করে ফেরেশতাদের কিছু কিছু সংবাদ শুনে ফেলত.
- ইবনে আব্বাস (রা) বলেন, ফেরেশতাদের কথা চুরি করার জন্য শয়তানরা একজনের উপর আরেকজন চড়ে চড়ে পৃথিবীর আকাশ সীমানায় পৌছে যায়.
- তখন (জ্বলন্ত দীপ্ত শেখা) উল্কা পিণ্ড দ্বারা তাদেরকে ধাওয়া করা হয়.প্রত্যেক বিতারিত শয়তান হতে তার রক্ষা করি.
- কেউ যদি গোপনে শুনে,তবে উজ্জ্বল দীপ্ত শেখা তার পশ্চাদ্বাবন করে. ১৫ নং সূরা হিজরার ১৭-১৮
পাহাড় সৃষ্টির কারণ

1.আল্লাহ জমিনে পর্বত সৃষ্টি করলেন,যাতে জমিন ঢলে না পড়ে.পাহাড়-পর্বত গুলো কিলোকের মত কাজ করে,
2.যদি পাহাড়-পর্বত না থাকতো তাহলে পৃথিবী স্থির থাকতো না.তিনি জমিনকে বিস্তৃত করলেন,অতঃপর তাতে পাহাড় ও নদী স্থাপনকরলেন
3.এবং জমিনকে বসবাসযোগ্য করলেন, এবং তার মাঝে মাঝে দিলেন নদী, রাখলেন পর্বতমালা.
রাত এবং দিন কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন
- নিশ্চয়ই আপনি রাতকে দিনে এবং দিনকে রাতে প্রবেশ করান,৩ নং সূরা আলে ইমরান ২৭
- তিনি রাত্রি দ্বারা দিনকে আচ্ছাদিত করেন এবং দিন দ্বারা রাত্রিকে আচ্ছাদিত করেন.
- তিনি দিনকে রাত্রি দ্বারা আবৃত করেন, যাতে ওদের একে অন্যকে দ্রুত গতিতে অনুসরণ করে
রাত ও দিন পরিবর্তনের ক্ষমতা কার হাতে দেখুন

1.বলুন,তোমরা কি ভেবেছ, আল্লাহ কেয়ামত পর্যন্ত যদি রাতকে স্থায়ী করেন,তবে আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহা,যে আলোতে আনতে পারবে? তবুও কি তোমরা শ্রবণ করবে না? ২৮ নং সূরা কাছোয়াছ আয়াত নং (৭১)
2.বলুন, তোমরা ভেবে দেখেছ কি,দিনকে যদি একাধারে কেয়ামত পর্যন্ত স্থায়ী করেন,যে রাত আনতে পারবে,যেন তোমরা বিশ্রাম করতে পার,তবুও কি তোমরা দেখো না? (৭২)
3.আর আমি নিজ দয়ায় তোমাদের জন্য রাত দিন সৃষ্টি করেছেন,যাতে তোমরা তাতে বিশ্রাম করতে পার এবং যেন তার প্রদত্ত রিজিক অন্বেষণ করতে পার,আর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর.(৭৩)
রাত এবং দিন সৃষ্টির উপকার

- আর রাত ও দিনকে আমি দুইটি নিদর্শন করেছি, রাতের নিদর্শনকে করেছি নিষ্প্রভ ও দিনে নিদর্শনকে করেছি দর্শনযোগ্য
- যেন তোমরা আপন রবের অনুগ্রহ খুঁজতে পার,আর যাতে তোমরা বছর গণনার হিসাব জানতে পার, প্রতিটি বস্তু আমি ব্যাখ্যা করেছি.১৭ নং সূরা বনি ইসরাইল ১২
- আল্লাহ আমাদের বিশ্রামের জন্য রাত ও দেখবার জন্য দিন সৃষ্টি করলেন.
- এবং রাত ও দিনকে পরস্পরের অনুগামী রূপের সৃষ্টি করেন যে উপদেশ গ্রহণ করতে পারি ও কৃতজ্ঞ হতে পারি, তার জন্য.
পানি হতে সকল জীব সৃষ্টি করেছেন

আল্লাহ পানি হইতে সকল জীব সৃষ্টি করেন এবং কিছু পেটের উপর ভর দিয়ে চলে, আর কিছু দুই পায়ের উপর ভর দিয়ে চলাচল করে, আর কিছু চার পায়ের উপর ভর দিয়ে চলাচল করে, আল্লাহ ইচ্ছা মত সৃষ্টি করেন, তিনি সর্বশক্তিমান.২৪ নং সূরা নুর ৪৫
নদ-নদী এবং সমুদ্র সৃষ্টি সম্পর্কে

- তিনি দুই সমুদ্রকে মিলিতভাবে চালিত করেন,যার একটি মিষ্টি তৃপ্তিকর,অন্যটি লবণাক্তক,খর:উভয়ের মাঝে অন্তরায় ও ব্যবধান রেখেছেন.২৫ নং সূরা ফুরকান ৫৩
- আর দুই নদী সমান নয়,একটি পানি সুমিষ্টি পিপাসা নিবারণকারী,আর অপরটি লোনা,খর
- তোমরা প্রত্যেকটি হতে তাজা মাছ আহরণ কর,তোমরা তোমাদের পরিধেয় অলংকার বের কর,
- দেখছেন যে,নৌযান কিভাবে তার বুক চিরে চলে,যেন তোমরা অনুগ্রহ তালাশ কর,আর যাতে তোমরা কৃতজ্ঞ হও.৩৫ নং সূরা ফা-ত্বির ১২
কিভাবে খাদ্য উৎপাদন করেন

- আর তিনি আকাশ থেকে বৃষ্টি দিন,তা দিয়ে নানা উদ্ভিদ উৎপন্ন করি,তা হতে সবুজ পাতা উদগত করি, তা থেকে ঘন শস্য-দানা উৎপন্ন করি,
- আর খেজুর গাছের মাথি হতে ঝুলন্ত গোছা বের করি, আঙ্গুরের বাগান,যাইতুন ও আনার, যাহা পরস্পর সদৃশযুক্ত ও অসদৃশ;
- বিভিন্ন গাছের ফলের প্রতি লক্ষ্য করুন,যখন তা ফলবান হয় আর যখন পাকে,নিশ্চয়ই এতে নিদর্শন আছে মুমিনদের জন্য.৭ নং সূরা আনআম ৯৯
- জমিনে পাশাপাশি ভূখণ্ড আছে,আঙ্গুর বাগান সমূহ,শস্যক্ষেত রয়েছে,
- শিরবিশিষ্ট ও অশিরবিশিষ্ট খেজুর গাছ একই পানিতে দেওয়া অথচ ফল সমূহের স্বাদে আমি এদের একটিকে অন্যটির উপর শ্রেষ্ঠত্ব প্রদান করেছি,
- এতে বুদ্ধিমান লোকদের জন্য অবশ্যই নিদর্শন আছে.১৩ নং সূরা রা’আদ 4
- প্রত্যেক প্রকারের ফল তিনি সৃষ্টি করেন জোড়ায় জোড়ায়.
- আল্লাহর অনুরাগী সকল বান্দাহার জন্য জ্ঞান ও উপদেশরূপে
মানুষকে প্রশ্ন করেছেন

1.আপনি কি দেখেনা রব কিভাবে ছায়া বিস্তার করেন,ইচ্ছা করলে স্থির রাখতে পারেন,সূর্যকে তার নির্দেশক করেছেন,পরে ধীরে ধীরে সংকুচিত করেন.
2.আপনার রব কিভাবে ছায়া বিস্তার করেন,আপনি কি দেখেননি? ইচ্ছা করলে স্থির রাখতে পারেন, অনন্তর সূর্যকে তার নির্দেশক করেছি,পরে আমি তাকে আমার প্রতি ধীরে ধীরে সংকুচিত করেছি.২৫ নং সূরা ফুরকান 45 থেকে 46
কোন দিনে কি সৃষ্টি করলেন
| শনিবার দিন | মাটির সৃষ্টি করেন |
| রবিবার দিন | পর্বত সৃষ্টি করেন |
| সোমবার দিন | বৃক্ষরাজি সৃষ্টি করেন |
| মঙ্গলবার দিন | বিপদ আপদ সৃষ্টি করেন |
| বুধবার দিন | নূর সৃষ্টি করেন |
| বৃহস্পতিবার দিন | পশু সৃষ্টি করেন |
| শুক্রবার দিন | আদম আলাই সালামকে সৃষ্টি করেন |
| হাদিস নং | সহিহ মুসলিম 6947 |
মানুষ এবং জিন সৃষ্টির কারণ
আল্লাহ তায়ালা মানুষ এবং জিন সৃষ্টি করেছেন শুধু আল্লাহর ইবাদত করার জন্য.বিষয়টি ৫১ নং সূরা যা-যারিয়াত ৫৬ আয়াতে উল্লেখ আছে.
কেয়ামতের পর পুনরায় সৃষ্টির কারণ
- নিশ্চয়ই আল্লাহতালা প্রথম সৃষ্টি করেছেন আবার পুনরায় তিনি সৃষ্টি করবেন মুমিন ও সৎকর্মশীলদের পাওনা দেওয়ার জন্য, আর কাফেরদের জন্য রয়েছে উত্তপ্ত পানীয় ও মর্মদুন্তুদ শাস্তি.১০ নং সূরা ইউনুস 4
- যেদিন সিঙ্গার ফুক দেওয়া হবে সেই দিন তারাই কর্তৃত্ব থাকবে.

বইয়ের পাতার বাজের মতই আকাশমণ্ডলীর বাজ
1.সেই দিন আমি আকাশমণ্ডলীকে গুটিয়ে ফেলব,যেভাবে লিখিত দপ্তর সমূহ গুটিয়ে নেওয়া হয়,প্রথম সৃষ্টির মতোই পুনরায় সৃষ্টি করব, এ আমার কৃত প্রতিশ্রুতি,আমি অবশ্যই তা পূর্ণ করব.(২১ নংসূরা আম্বিয়া ১০৪)
2.আল্লাহ কখনো ওয়াদা ভঙ্গ করেন না.আমরা সকলেই তার কাছে প্রত্যাবর্তন করতেই হবে.আল্লাহর ওয়াদা সত্য.
3.তারা কি দেখে না, দেশকে চতুর্দিক হতে কমিয়ে এনেছি, আল্লাহ নির্দেশ দেন, তার নির্দেশ রোধ করার কেউ নেই, আর তিনি হিসেবে তৎপর.(১৩নংসূরা রা’আদ ৪১)
উপসংহার
পরিশেষে বলতে পারি যে,আকাশমণ্ডল পৃথিবী এবং পৃথিবীর মধ্যবর্তী সকল কিছু তার ক্ষমতার বলে সৃষ্টি করেছেন. এবং সকল কিছু তিনি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সৃষ্টি করেছেন.নির্দিষ্ট সময়ের পর তিনি কেয়ামতের মাধ্যমে সব ধ্বংস করে দিবেন. অতঃপর প্রত্যেকের কৃতকর্মের ফল ভোগ করার জন্য পুনরায় সৃষ্টি করবেন এবং প্রতিজ্ঞা করলেন.

