প্রিয় পাঠক স্বাগত জানাচ্ছি আপনাকে,আমার এই পোস্টে আমি মহাবিশ্ব বলতে কি বুঝায়? এবং কে সৃষ্টি করল? কেন এবং কিভাবে সৃষ্টি করল? মহাবিশ্ব,সাত আসমান এবং পৃথিবী সৃষ্টি করতে কত দিন সময় লাগলো,সে সম্পর্কে কিছু বিষয় মহাগ্রন্থ আল কোরআনের আলোকে উপস্থাপন করব.
সূচিপত্র
- মহাবিশ্ব কি? কে সৃষ্টি করল?
- সৃষ্টির সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে
- সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কে বিভিন্ন মতামত
- মহাবিশ্ব ও পৃথিবী কেন সৃষ্টি করলেন
- মহাকাশ ও পৃথিবী কিভাবে সৃষ্টি করলেন
- মহাবিশ্ব সম্প্রসারণ সম্পর্কে
- সাত আসমান কত দিনের সৃষ্টি
- পৃথিবীর বাহিরে ও প্রাণ আছে
- চন্দ্র-সূর্য সৃষ্টি সম্পর্কে
- মানুষকে আল্লাহ কি প্রশ্ন করেছেন
- আকাশ মন্ডল ও মহাকাশ সমূহ কত দিনে সৃষ্টি
- সময় নিয়ে কোরআনের তথ্য
- মহাবিশ্ব আল্লাহর আদেশ মতে চলে
- উপসংহার

মহাবিশ্ব কি?
- বিজ্ঞানীদের মতে মহাবিশ্ব হলো পদার্থ,শক্তি,স্থান এবং কাল (সময়) অর্থাৎ সময়ের সমন্বয়ে গঠিত.
- সাধারণভাবে বলতে গেলে পৃথিবী,চন্দ্র-সূর্য,গ্রহ-নক্ষত্র,৭ আসমান ও জমিন,অসংখ্য গ্রহ,নক্ষত্রমন্ডলী,আকাশ মন্ডলী,অসংখ্য গ্যালাক্সি,অসংখ্য মিল্কওয়ে ইত্যাদি সবকিছুকে আমরা একত্রে মহাবিশ্ব বলি.
- মহাবিশ্বের সংজ্ঞা কেউ সঠিক ভাবে দিতে পারেনা.
মহাবিশ্ব কে সৃষ্টি করল?
মহাবিশ্ব কে সৃষ্টি করল সেই বিষয়টি জানতে হলে আপনাকে আগে সৃষ্টির সংজ্ঞা জানতে হবে.কারণ সৃষ্টি এবং তৈরি বা প্রস্তুত বা আবিষ্কার এক নয়.
সৃষ্টির সংজ্ঞা সম্পর্কে

- সৃষ্টির সংজ্ঞা হল শূন্য বা জিরো থেকে বা কোন কিছুর স্পর্শ ছাড়া যেটা তৈরি করা হয় তাকে সৃষ্টি বলা হয়.
- অপরদিকে যখন মহাবিশ্বের বা পৃথিবীর কোন পদার্থ দিয়ে বা শক্তি দিয়ে যখন আপনি কিছু তৈরি করেন,তখন তাকে আপনি রূপান্তর বা প্রস্তুত বা আবিষ্কার বা Make বা তৈরি বলতে পারেন.
- অর্থাৎ আপনি অন্যের তৈরি করা কোন বস্তু বা উপাদান নিয়ে আপনি কিছু তৈরি করলেন,তাহলে আপনাকে হতে হবে তৈরি কারক,প্রস্তুতকারক বা আবিষ্কারক.
সৃষ্টির কিছু বৈশিষ্ট্য
1.এখন সৃষ্টির সংজ্ঞা অনুযায়ী মহাবিশ্ব কে সৃষ্টি করেছেন তিনি অবশ্যই মহাবিশ্বের বাইরে থাকতে হবে.
2.কারণ যিনি পদার্থ সৃষ্টি করলেন,তিনি যদি পদার্থের ভিতরে থাকেন তাহলে কিভাবে সৃষ্টি করল.
3.যিনি সময় সৃষ্টি করলেন তিনি যদি সময়ের ভিতরে থাকেন তাহলে তো তিনি সৃষ্টি হয়ে গেল.
উদাহরণ
- আমি একটা মোবাইল তৈরি করব,তাহলে আমি কি মোবাইলে ভিতরে থাকবো? না বাইরে থেকে তৈরি করব?.নিশ্চয়ই বাইরে থেকে তৈরি করব.
- দেখুন এই মোবাইল প্রস্তুতকারক কিন্তু বাইরে থেকে সে তৈরি করল.

মহাবিশ্ব সৃষ্টির প্রসঙ্গে
1.মহাবিশ্ব যিনি সৃষ্টি করল,নিশ্চয়ই তিনিই মহাবিশ্বের বাইর থেকে সৃষ্টি করল.
2.আর যে বাইরে থেকে কোন কিছু ছাড়াই অর্থাৎ জিরো থেকে সৃষ্টি করল তাকেই আমরা সৃষ্টিকর্তা বলি.নিশ্চয়ই এই সৃষ্টিকর্তা কত ক্ষমতাবান.
সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কে বিভিন্ন মতামত

- কিছু ধর্মের লোকেরা বলেন সৃষ্টিকর্তা আকাশে বসে আছেন,কিন্তু আকাশ তো তার সৃষ্টি.
- কিছু ধর্মের লোকেরা বলে,সৃষ্টিকর্তা মানব দেহ আকার ধারণ করেছেন,কিন্তু দেহ তো তিনিই সৃষ্টি করেছেন এবং দেহ পদার্থের তৈরি.
- আবার কিছু জাতের লোকেরা বলে সৃষ্টিকর্তা মহাবিশ্বের মধ্যে বিরাজমান,কিন্তু মহাবিশ্বে তো তার সৃষ্টি.
- আবার অনেক মানুষ মহাবিশ্বের ক্ষুদ্র পদার্থকে রব বানিয়ে ফেলে.
কোনটি সঠিক তা নির্বাচন

আমরা জানি যেকোন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান বা আবিষ্কারক যদি কোন কিছু তৈরি করে,তখন তার তৈরি করার জন্য তার নির্দেশিকা বা কাঠামো বা কেটালক থাকে.
- উদাহরণস্বরূপ বলতে পারি মনে করি কোন এক ব্যক্তি একটি গাড়ি তৈরি করল,
- এবং তার গাড়িটির নির্দেশিকা অনুযায়ী গাড়িটি সঠিকভাবে চলতেছে. তাহলে আমি বুঝতে পারবো এই ক্যাটালগটি সঠিক.
- যদি একটি মোবাইলের ও নির্দেশিকা থাকে বা ক্যাটালগ থাকে,তাহলে কি এই মহাবিশ্ব কিভাবে চলতেছে,কে পরিচালনা করে,তার কি কোন নির্দেশিকা নাই? নিশ্চয়ই আছে.
- আর সেই নির্দেশিকা হচ্ছে সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্মগ্রন্থ আল কোরআন.
- আর এই আল কোরআনে মহাবিশ্ব সম্পর্কে যে সকল তথ্য আছে,তা আমি উপস্থাপন করব.

মহাবিশ্ব ও পৃথিবী কেন সৃষ্টি করলেন
মহাবিশ্ব ও পৃথিবী আল্লাহতাআলা কেন সৃষ্টি করলেন কোরআনে একটি আয়াতের প্রেক্ষিতে আমরা বুঝতে পারি যে,
আল্লাহর ইচ্ছা হয়েছিল
এতে বুঝা যায় আল্লাহ তাআলার ইচ্ছা হয়েছিল,তিনি মহাবিশ্ব ও পৃথিবী সৃষ্টি করবেন,তাই তিনি করেছেন.
তিনি সর্বশক্তিমান তা বুঝার জন্য

- সূর্য ও চন্দ্র আবর্তন করে নির্ধারিত কক্ষপথে,এবং কখনো কক্ষছুত হয় না.
- আল্লাহ এই সাত আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন এবং অনুরূপভাবে আকাশ ও পৃথিবীর সর্বস্তরে নেমে আসে তার নির্দেশে,
- ফলে তোমরা বুঝতে পারো যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্ব বিষয়ে মহাশক্তিমান এবং সমস্ত কিছু তার জ্ঞান – গোচর.(৬৫নং সূরা তালাক ১২(আল-কোরআন)
আল্লাহর ক্ষমতা সম্পর্কে জানার জন্য
অন্য রেওয়াতে জানা যায় যে,আল্লাহকে জানার জন্য,বুঝার জন্য,এবং আল্লাহর ক্ষমতা সম্পর্কে জানার জন্য তিনি সাত আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন.এটা সম্পূর্ণ আল্লাহর ইচ্ছা.
উদাহরণ
- পৃথিবীর মানুষ যদি কোন কিছু তৈরি করে,সৃষ্টি করে অথবা আবিষ্কার করে তখন সেও তার ওই আবিষ্কারটি মানুষের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য চেষ্টা করে.ঠিক এরকম হতে পারে.
মহাবিশ্ব ও পৃথিবী কিভাবে সৃষ্টি করলেন
তিনি মহাবিশ্ব পৃথিবী কিভাবে সৃষ্টি করেছেন,কোরআনে এই প্রসঙ্গে অনেক আয়াত রয়েছে.যেমন
যখন বলেন “হও” তখনই হয়ে যায়
- তিনি সুপরিকল্পিতভাবে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন.39নং সূরা জুমার 05
- অবিশ্বাসীরা কি ভেবে দেখেনা যে, আকাশ ও পৃথিবী মিশেছিল, আর আমি তা পৃথক করে দিলাম,পানি হতে সব সৃষ্টি করলাম,তবুও কি তারা বিশ্বাস করবে না?(২১ নং সূরা আম্বিয়া ৩০ আল কুরআন)
- সুতরাং বুঝা যায় যে আকাশ ও পৃথিবীর একসাথে মিশে ছিল,আর আল্লাহতালা এগুলো পৃথক করে দিয়েছে.
- বর্তমানে বিজ্ঞানের মতেও মহাবিশ্ব একটি বিন্দুতে ছিল,সম্প্রসারণের ফলে পৃথিবী,মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে. তিনি আকাশকে স্থির রাখেন যেন অনুমতি ছাড়া জমিনে পতিত না হয়.

পানি হতে সকল প্রান সৃষ্টি
- আল্লাহতায়ালা পানি হতে সকল প্রান সৃষ্টি করলেন
- .তিনি যথাযথভাবে আকাশমণ্ডল ও পৃথিবী সৃষ্টি করলেন
- বিজ্ঞানের মতে মানবদেহে 60 থেকে 70 ভাগ পানি রয়েছে.
মহাবিশ্ব সম্প্রসারণ সম্পর্কে
- বিজ্ঞানীরা এখন আবিষ্কার করলেন মহাবিশ্ব সম্প্রসারিত হচ্ছে.তাহলে অতীতে আরও ছোট ছিল,
- আরো অতীতে আরো ছোট ছিল,এইভাবে তারা একটা বিন্দুতে নিয়ে যাচ্ছে.
- কিন্তু এই সম্প্রসারণের বিষয়টি কুরআন ১৪০০ বছর আগে কে লিখতে পারে?
- আর আমি নিজ ক্ষমতাবলে আকাশ সৃষ্টি করেছি এবং আমিই সম্প্রসারক.৫১ নং সূরা যা-রিয়াত ৪৭

সাত আসমান কত দিনের সৃষ্টি
1.তিনি ২দিনে সাত আকাশ সৃষ্টি করলেন,আল্লাহ পৃথিবীর সবকিছু আমাদের জন্য সৃষ্টি করেন,
2.আর আমি তো তোমাদের উপরে সপ্তম স্তর সৃষ্টি করেছি,আর আমি সৃষ্টি সম্পর্কে গাফিল নয়.২৩ নং সূরা মুমিনুন ১৭
3.আল্লাহ আসমানসমূহ ও জমিনকে ধরে রেখেছেন,যেন তারা স্থানসূত না হয়, আর যদি স্থানসুত হয়,তবে আল্লাহ ছাড়া কেউ তাদেরকে দূরে রাখতে পারবে না,তিনি সহনশীল,ক্ষমাশীল.৩৫ নং সূরা ফা-ত্বির ৪১
সাত আসমানে ও আল্লাহর বিধান চালু আছে কি?

- আল্লাহ ২(দুই) দিনে সাত আকাশ সৃষ্টি করলেন,এবং প্রত্যেক আসমানে তার জন্য বিধান জানালেন,
- আর তিনি নিকটতম আকাশকে প্রদীপ দ্বারা সুশোভিত করেছেন ,এবং তাকে সুরক্ষিত করলেন, এটা পরাক্রান্ত মহাজ্ঞানী আল্লাহর ব্যবস্থাপনা,41সুরা হা -মি–ম সাজ্দাহা 12
পৃথিবীর বাহিরে ও প্রাণ আছে
- আর তাঁর অন্যতম নিদর্শন হচ্ছে আসমান সমূহ ও যমীনের সৃষ্টি এবং এ দুয়ের মধ্যে তিনি যে সকল জীব-জন্তু ছড়িয়ে দিয়েছেন.
- সেগুলো;আর তিনি যখন ইচ্ছে তখনই তাদেরকে সমবেত বা একত্র করতে সক্ষম। (৪২ নং সূরা শুরা ২৯)
- এই আয়াতের প্রেক্ষিতে বুঝা যায় যে পৃথিবীর বাহিরেও প্রাণ রয়েছে. বিজ্ঞান ধীরে ধীরে উন্নত হলে সবকিছু আবিষ্কার করতে পারবে.

চন্দ্র-সূর্য সৃষ্টি সম্পর্কে
- তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে নিয়ন্ত্রণ করেন, প্রত্যেকেই নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত ঘুরতে থাকবে,তিনিই পরাক্রমশালী,ক্ষমাশীল.৩৯ নংসূরা জুমার 5
- সূর্য ও চন্দ্র আবর্তন করে নির্ধারিত কক্ষপথে,56 সূরা আর রহমান 5
- তিনি এমন সত্তা যিনি সূর্যকে করেছেন জ্যোতিময়, আর চন্দ্রকে আলোকময় এবং নির্ধারণ করেছেন এর জন্য মঞ্জিল,যেন বছর গণনা ও হিসাব জানতে পার.
- আল্লাহ এটা যথার্থই সৃষ্টি করেছেন, তিনি বর্ণনা করেন আয়াতসমূহ সেই সব লোকদের জন্য যারা জ্ঞানবান.১০ নং সূরা ইউনুস 5
- সূর্যের সাধ্য নেই যে, সে নাগাল পায় চন্দ্রের, রাত দিনকে অতিক্রম করে না, প্রত্যেকে আপন আপন কক্ষ পথে চলে.
- আল্লাহ চন্দ্রের জন্য বিভিন্ন স্তর সৃষ্টি করেছেন, অবশেষে জির্ণ খেজুর শাখার মতো হয়ে যায়

গ্রহ-নক্ষত্র সৃষ্টি সম্পর্কে
- আর নিশ্চয়ই আমি আকাশকে নক্ষত্ররাজি সৃষ্টি করে রেখেছি,আর সেগুলোকে দর্শকের জন্য সুন্দর করেছি.১৫ নং সূরা হিজর ১৬
- আল্লাহ আয়াতসমূহ বর্ণনা করেন সেসব লোকদের জন্য.যারা জ্ঞানবান
মানুষকে কি প্রশ্ন করেছেন
1.আকাশ ও পৃথিবী একসাথে মিশে ছিল,কিভাবে আলাদা করলাম, তারা কি চোখে দেখে না?
2.তারা কি আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখেনা কিভাবে সৃষ্টি করলাম, কত সুন্দরভাবে সৃষ্টি করলাম, তাতে কোন ছিদ্র নাই.৫০ নংসূরা ক্বা-ফ06
3.তারা কি লক্ষ্য করে না কিভাবে ৭ আকাশ সৃষ্টি করেছি. এবং সেখানে চন্দ্রকে রেখেছে আলোক রূপে, আর সূর্যকে প্রদীপ রূপে ৭১ নং সূরা নূহ ১৫
আকাশে কি আছে,কি নেই
- আকাশে কক্ষ যুক্ত রয়েছে.
- আকাশে কোন ছিদ্র নাই
- আকাশ তৈরিতে কোন খুঁটি নাই.
- তবে শক্তি থাকলে অন্বেষণ করে নিন ভূগর্ভের কোন সুরঙ্গ, কিংবা আকাশে কোন সিঁড়ি এবং তাদের জন্য নিদর্শন আনুন.(৬ নং সুরা আনআম আয়াত ৩৫)

আকাশ মন্ডল ও মহাকাশ সমূহ কত দিনে সৃষ্টি
| সৃষ্টি করলেন | কত দিনে |
| পৃথিবীর সৃষ্টি করলেন | ২ দিনে |
| পৃথিবীর মধ্যবর্তী সকল কিছু সৃষ্টি করলেন | ৪ দিনে |
| সাত আসমান সৃষ্টি করলেন | ২ দিনে |
| আল্লাহ এভাবে আকাশমন্ডল ও মহাকাশসমূহ সৃষ্টি করলেন. | = ৮ দিনের (২+৪+২) |
কিন্তু আল্লাহতালা এক সেকেন্ড ও করতে পারে,এটা আল্লাহতালার ইচ্ছা.মানুষকে বুঝানোর জন্য তিনি পর্যায়ক্রমে করল.

উদাহরণ:-
যেমন যে কোন লোক ৭তালা বিল্ডিং করল, প্রথম তালা সে ২মাসে করল, প্রথম তালার ভিতরে আসবাবপত্র ৪মাসে করল,পরবর্তীতে দ্বিতীয় তালা থেকে সপ্তম তালা পর্যন্ত সে আর ও ২মাসে করল.সর্বমোট ৮ মাসের ৭ তালা বিল্ডিং শেষ করল.বিষয়টা এইরকম.
সময় নিয়ে কোরআনের তথ্য

- ফেরেশতা এবং রূহ আল্লাহর দিকে উদ্বগামী হবে এমন একদিনে,যেদিন পার্থিব ৫০ হাজার বছরের সমান.(৭০ নং সূরা মারিজ আয়াত ৪ আল কোরআন)
- আর তারা আপনার কাছে তড়িৎ শাস্তি প্রার্থনা করে,অথচ আল্লাহ কখনো ভঙ্গ করেন না প্রতিশ্রুতি,নিঃসন্দেহে তোমাদের রবের একদিন তোমাদের হিসেবে হাজার বছরের সমান.২২ নং সূরা হোজ ৪৭
- তিনি আকাশমণ্ডল হতে শুরু করে ভূপৃষ্ঠ পর্যন্ত সকল বিষয়ের পরিচালনা করেন,পরে তার কাছে একদিন উপনীত হবে,যার পরিমাণ হবে হাজার বছরের সমান.৩২ নং সুরা সাজ দাহ ৫
মহাবিশ্ব আল্লাহর আদেশ মতে চলে
1.নিঃসন্দেহে তোমাদের রব আল্লাহ,যিনি ছয় দিনে আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেন,তারপর তিনি আরশে সমাসীন হন.
2.তিনি দিন দিয়ে রাতকে ডাকেন,যাতে একে অন্যকে দ্রুত অনুসরণ করে: আর সূর্য,চন্দ্র ও তারকাসমূহ যা তারই আদেশের অধীন.
3.আল্লাহ মহিমান্বিত,সমগ্র বিশ্বের রব যা তারই সৃষ্টি ও তারই আদেশের অনুবর্তী.৭ নং সূরা আ’রাফ ৫৪
উপসংহার
পরিশেষে বলতে পারি যে,মহাবিশ্বের যে সকল তথ্যগুলো বিজ্ঞান এখন প্রমাণ করেছে,কোরআনে ১৪০০ বছর আগে এই তথ্যগুলো ছিল.তাই বুঝা যায় যে,বিজ্ঞান কেয়ামত পর্যন্ত কোরআনের কাছে মুখাপেক্ষী থাকবে.

